সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে ইউএনও’র সঙ্গে সিআরবি ছাতক উপজেলা শাখার মতবিনিময় ভোক্তা অধিকার রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সিআরবি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার স্মারকলিপি হস্তান্তর নরসিংদীর শিবপুরের নিরাপদ সড়ক চাই কমিটির আলোচনা সভা ও আইডি কার্ড বিতরণ। নিরাপদ সড়ক গড়তে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার প্রত্যয়: নিসচা পলাশ উপজেলা শাখার আইডি কার্ড বিতরণ ও পরিচিতি সভা সম্পন্ন** নাগরিক সেবা প্রদানে মাধবদী পৌরসভার যুগান্তকারী সাফল্য স্বস্তিতে পৌরবাসী গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ভেজাল সন্দেশ কারখানায় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান, শাস্তিবিহী ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা বিষয়: সিআরবি’র নরসিংদী জেলা শাখার উদ্যোগে মাসিক বাজার পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন ফিটনেসবিহীন গাড়িতে বিআরটিএ ড্রাইভিং টেস্ট বন্ধ ও পরীক্ষার মাঠে সিসিটিভি স্থাপনের দাবি সিআরবি’র নরসিংদীতে বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস পালিত মহান মে দিবস উপলক্ষে মনোহরদীতে সিআরবি’র র‌্যালী, আলোচনা ও শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ঈদের দ্বিতীয় দিনও বাড়ি ফেরা মানুষের ঢল, বাসভাড়া দ্বিগুণ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১৪১০ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক নিউজ :

ঈদের দ্বিতীয় দিনও প্রিয়জনের কাছে যেতে রাজধানী ঢাকা ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। এবারের ঈদের ছুটিতে যারা বাড়ি যেতে পারেননি, তারা আজ ভিড় জমাচ্ছেন বাস টার্মিনালগুলোতে। তবে সেটি ঈদের আগের অন্যান্য দিনের তুলনায় কিছুটা বেশি।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) সকাল থেকেই সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ীতে দূরপাল্লার বাস কাউন্টারগুলোতে ভিড় দেখা গেছে।

পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের আগে এবং চাঁদরাতেও এত ভিড় দেখা যায়নি। ভোরে যাত্রীর চাপ কম থাকলেও আলো বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে। বেড়েছে পরিবহন ভাড়াও। ঈদের আগের দিন যেসব গাড়ির ভাড়া তিন থেকে সাড়ে তিনশ টাকা ছিল এখন সেটি বেড়ে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা। গাড়ির হেলপাররা দরজার মুখে দাঁড়িয়ে বলছেন, যে যেখানেই নামেন ভাড়া ৫০০ টাকা।

যাত্রাবাড়ী-সায়েদাবাদ ও ধোলাইপাড় এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, বাগেরহাট, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের যাত্রীদের চাপ বেশি। তবে যাত্রীদের অভিযোগ এক থেকে দেড় ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও গাড়িতে উঠতে পারছেন না। ছোট ছেলে-মেয়ে এবং জিনিসপত্র সঙ্গে নিয়ে বাসায় ফিরে যাওয়া মুশকিল।

সায়েদাবাদ জনপথের মোড়ে খুলনাগামী ইমাদ পরিবহনের কাউন্টারে দেখা গেছে যাত্রীদের ভিড়। কাউন্টার ম্যানেজার আব্দুল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, ঈদের ২০ দিন আগে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছি। চাঁদরাত পর্যন্ত সবাই চলে গেছেন। ঈদের পরদিনও যাত্রীর চাপ। মনে হচ্ছে ঈদের আগের চেয়ে পরই বেশি মানুষ বাড়ি যাচ্ছেন।

একই পরিবহনে খুলনাগামী এক চাকরিজীবী বলেন, ঈদের আগে অগ্রিম টিকিট কিনতে পারিনি। এখন কাউন্টার থেকে বলছে অপেক্ষা করতে হবে। প্রচণ্ড গরমে কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় কে জানে, ভাড়া দুই থেকে তিনশ টাকা বেশি চাচ্ছে।

গোল্ডেন লাইন পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার সালমান ও রিয়াজ বলেন, ভোর থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ২২ থেকে ২৩টি গাড়ি ছেড়ে গেছে। যাত্রীর চাপ বাড়ছেই। এখন পর্যন্ত ফিরতি গাড়ির তিন শতাধিক অগ্রিম টিকিট বিক্রি রয়েছে। গাড়ি কম যাত্রী বেশি।

তিনি বলেন, আমরা শুধু টিকিট বিক্রি করি। গাড়ির হিসাবটা সঠিকভাবে জানি না। তবে যাত্রীর ব্যাপক চাপ রয়েছে। এখন ফিরতি গাড়ি এলে তারপর যাত্রী নিয়ে যাবে, আমাদের সবকয়টি গাড়ি ঢাকা ছেড়ে চলে গেছে, তাই এখন গাড়ি ছাড়তে বিলম্ব হতে পারে।

তথ্যসূত্র :  অনলাইন।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SELF HOST BD
themesba-lates1749691102