সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নালা পরিষ্কারের পর সড়কে ময়লার স্তূপ: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ‘হটকারী উন্নয়ন’ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে-সিআরবি। নরসিংদী বড় বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান, জরিমানা ২০ হাজার টাকা নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর ১১তম মহাসমাবেশ সফলভাবে অনুষ্ঠিত। ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে ইউএনও’র সঙ্গে সিআরবি ছাতক উপজেলা শাখার মতবিনিময় ভোক্তা অধিকার রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সিআরবি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার স্মারকলিপি হস্তান্তর নরসিংদীর শিবপুরের নিরাপদ সড়ক চাই কমিটির আলোচনা সভা ও আইডি কার্ড বিতরণ। নিরাপদ সড়ক গড়তে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার প্রত্যয়: নিসচা পলাশ উপজেলা শাখার আইডি কার্ড বিতরণ ও পরিচিতি সভা সম্পন্ন** নাগরিক সেবা প্রদানে মাধবদী পৌরসভার যুগান্তকারী সাফল্য স্বস্তিতে পৌরবাসী গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ভেজাল সন্দেশ কারখানায় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান, শাস্তিবিহী ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা বিষয়: সিআরবি’র নরসিংদী জেলা শাখার উদ্যোগে মাসিক বাজার পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন

গাজার রাস্তায় মহড়া দিলেন সেই হামাস নেতা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৩ মে, ২০২১
  • ২৮৪৭ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক :

গাজা উপত্যকার বিভিন্ন সড়কে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়িয়েছেন ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরাইলের টার্গেটে থাকা ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন-হামাসের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার।

গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার পর শনিবার উপত্যকাটির বিভিন্ন সড়কে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়িয়েছেন তিনি। যুদ্ধচলাকালীন সময়ে হামাসের এ নেতাকে হত্যার জন্য কয়েক দফা বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়, হামাসের সামরিক শাখার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এই নেতা প্রকাশ্য জনসমক্ষে বের হয়েই হামাসের অন্যতম কমান্ডার বাসিম ঈসার বাসভবনে যান। সাম্প্রতিক ইসরাইলি হামলায় হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জাদ্দিন কাসসাম ব্রিগেডের অন্যতম কমান্ডার বাসিম ঈসা নিহত হন।

গাজা উপত্যকায় ১২ দিনের পাশবিক হামলার সময় সিনওয়ারের বাসভবনে হামলা চালায় ইহুদিবাদী জঙ্গিবিমান। হামলায় তার বাসভবন ধ্বংস হয়ে যায়।ওই হামলায় সিনওয়ার নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে ইসরাইলি গণমাধ্যম দাবি করলেও ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো বলছিল, তিনি হামলার সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন না। ইয়াহিয়া সিনওয়ারের পাশাপাশি ইজ্জাদ্দিন কাসসাম ব্রিগেডের প্রধান কমান্ডার মোহাম্মাদ দেইফকে হত্যা করা গাজা অভিযানের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য ছিল।

গত ২৫ বছর ধরে তাকে হত্যার চেষ্টা করে যাচ্ছে ইহুদিবাদী ইসরাইলের কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। এর আগে পাঁচবার- ২০০১, ২০০২, ২০০৩, ২০০৬ ও ২০১৪ সালে ইসরাইলি হামলা থেকে প্রাণে বেঁচে যান এ শীর্ষ হামাস নেতা। এসব হামলায় তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে হারান।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SELF HOST BD
themesba-lates1749691102