শুক্র, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩২ সকাল
শিরোনাম :
সিআরবি কক্সবাজার জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির শপথ গ্রহণ সম্পন্ন সিআরবি’র সাভার উপজেলা শাখার নবগঠিত কমিটির শপথ গ্রহণ সম্পন্ন ক্রেতা-সুরক্ষা আন্দোলন-কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ-সিআরবি’র সিলেট বিভাগীয় শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন মাছের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সিআরবির স্মারকলিপি প্রদান নালা পরিষ্কারের পর সড়কে ময়লার স্তূপ: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ‘হটকারী উন্নয়ন’ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে-সিআরবি। নরসিংদী বড় বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান, জরিমানা ২০ হাজার টাকা নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর ১১তম মহাসমাবেশ সফলভাবে অনুষ্ঠিত। ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে ইউএনও’র সঙ্গে সিআরবি ছাতক উপজেলা শাখার মতবিনিময় ভোক্তা অধিকার রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সিআরবি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার স্মারকলিপি হস্তান্তর নরসিংদীর শিবপুরের নিরাপদ সড়ক চাই কমিটির আলোচনা সভা ও আইডি কার্ড বিতরণ।

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

আব্বাস উদ্দিন ধ্রুব
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৯৪০ বার পড়া হয়েছে

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ মেধাবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৫ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং ৭টা ৬ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গার্ড অব অনার প্রদান করে তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও দলীয় প্রধান হিসেবে দলটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর উপস্থিত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী চলে যাওয়ার পর মন্ত্রিসভার সদস্যরা শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর স্মৃতিসৌধ সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এর পরই শ্রদ্ধা জানাতে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। শহীদ পরিবারের সদস্যরাও তাদের হারানো স্বজনদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। এ ছাড়া রায়েরবাজার বধ্যভূমিতেও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন সর্বস্তরের লোকজন।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। সংবাদপত্রগুলো বিশেষ নিবন্ধ ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে। এ ছাড়া দেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

১৯৭১ সালের এ দিনে দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার আল-বদর, আল-শামসরা বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসে দিনটিকে কালো অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বুদ্ধিজীবীদের হত্যার দুদিন পর ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

তথ্য সূত্র : অনলাইন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved